শেরপুরের দর্শনীয় স্থানসমূহ

Rafa Noman

কলেজ থেকে পিকনিকে যাবে, বিরাট আয়োজন চলছে। সবাই খুশি নতুন জামা কাপড়, সানগ্লাস,জুতো  কত কি কেনাকাটা চলছে!  আমিও সাহস করে বাসায় বল্লাম, আব্বা সুন্দর করে না করে দিয়েছে! মন খারাপ করে কলেজে যাই আবার ফিরে এসে মন খারাপ করে বসে থাকি কিছুই করার নেই।

 

কলেজে সুন্দর একটা বন্ধু মহল পেয়েছিলাম এবং বেশ কয়েকজন স্যার। আমার মন খারাপ দেখে বুঝে গেছে আমার পিছনের গল্প। পিকনিকের তারিখ যত এগিয়ে আসছে আমার তত মন খারাপ বাড়ছে একদিন কলেজ থেকে ফিরে শুয়ে আছি একটু পর বাড়ির পিছন থেকে ব্যাপক ডাকাডাকি চলছে, বের হয়ে দেখি আমাদের প্রিয় ক্রিড়া শিক্ষক ও পিকনিকের আয়োজক নজরুল স্যারসহ কয়েকজন বন্ধু বাড়িতে এসে হাজির আমার পিকনিক সফল করার জন্য।

 

আব্বাকে বুঝানো চলছে, আব্বা তো না করেই যাচ্ছেন, তবু সবার চাপে রাজি করানো হলো। কিন্তু এক শর্তে, আব্বার কথা উনার ছেলেকে যেভাবে নিচ্ছে সেভাবে সুস্থ ভাবে ফিরেয়ে দিতে হবে! শর্ত শুনে একটু ভয়ে ভয়ে স্যার রাজি হয়ে চলে গেলেন, জীবনে প্রথমবার নিজের জেলা থেকে একা বের হচ্ছি, নতুন পৃথিবী দেখবো বলে! পরদিন যাত্রা উত্তেজনায় ঘুম খাওয়া কিছুই নেই, সন্ধ্যায় বড় বোন শার্ট কিনতে গেলো। পিকনিকে যাবার জন্য আমারও শপিং হলো। তখনো বিশ্বাস করতে পারছি না কাল আমিও পিকনিকে যাবো!

 

পরদিন ভোরে আমাদের নিয়ে বাস যাবে শেরপুরের মধুটিলা ইকো পার্কে।  কলেজ সবাই রাতেই পৌঁছে গেছে ৪ টার দিকে রওনা দিবে আব্বার শর্ত মতে যেহেতু আমার বাড়ির পাশ দিয়ে গাড়ি যাবে আমাকে যেন এখান থেকে নিয়ে যায়।  আমি  শীতের রাতে গরম পানি দিয়ে গোসল করে ফুল বাবু হয়ে তৈরি হয়ে বসে আছি। আমার পিকনিক যাবার জন্য সবাই জেগে বোনরা উঠে খাবার গরম করা,গরম পানি করা একটা হৈ চৈ  ব্যাপার। ফজরের আজানের পর আব্বা গিয়ে গাড়িতে তুলে দিলেন স্যারের হাতে, আবারও শর্তের কথা মনে করিয়ে।

 

বাসে সাউন্ড বক্স নেয়া হয়েছে, ভোরের আলো ফুটার সাথে সাথে গানা বাজনা চালু হয়েছে আমার বন্ধুরাসহ সবাই বাসকে কনসার্টের মঞ্চ বানিয়ে ফেলছি।  সকাল ১০ টায় গিয়ে কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌঁছেছি।  নিজ জেলার বাইরে আমার প্রথম ঘুরাঘুরি শুরু,  নতুন করে পৃথিবী দেখার যাত্রা শুরু হলো আমার।

 

মধুটিলা ইকো পার্কের পাহাড়ের চূড়ায় সাইট ভিউ টাওয়ারে উঠলেই চোখ জুড়িয়ে যায় সীমান্ত পেরিয়ে উঁচু উঁচু পাহাড় আর সবুজ অরণ্যের মনোরম দৃশ্য দেখে। দূরের অরণ্যকে একটু কুয়াশাচ্ছন্ন মনে হলেও এর সৌন্দর্যের কোনো কমতি নেই। গারো পাহাড়ের আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পথ পেরিয়ে যত দূর এগোনো যায়, ততই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সমারোহ। শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নে এই মধুটিলা ইকোপার্কটির অবস্থান।

মধুটিলা ইকো পার্ক

পার্কের গেট পেরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই নজরে পড়ে উঁচু গাছের সারি। রাস্তা থেকে ডান পাশে খোলা প্রান্তর আর দুই পাশে রকমারি পন্যের দোকান। রেস্তোরাঁ পেরোলে পাহাড়ি ঢালুর আঁকাবাঁকা রাস্তা। পাহাড়ের প্রবেশপথেই অভ্যর্থনা জানাবে ধূসর রঙের বিশাল আকৃতির শুঁড় উঁচানো পাথরের তৈরি দুটি হাতি।

 

এরপর যত এগোনো যাবে, ততই মন ভরে যাবে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে। পথে বুনো গাছপালার ফাঁকে ফুটে আছে হরেক রকমের বুনোফুল, তাতে বাহারি প্রজাপতির বিচরন। এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে যাওয়ার পথে ঝোপঝাড়ে দেখা মিলবে হরিণ, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, সিংহ, বানর, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, হ্রদের ধারে কুমির, ব্যাঙ আর মৎস্যকন্যার অতি চমৎকার সব ভাস্কর্য। আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পথে ঘন ঘন গাছের সারি গভীর অরণ্যের দিকে চলে গেছে। এখানে উঁচু পাহাড়ের গাছের ছায়ায় বসে কাটানো যাবে দুপুর ও বিকেল।

মধুটিলা ইকো পার্কে

পার্কের ভেতর গাড়ি পার্কিং এর জায়গায়  রান্না বান্না করে খেয়ে সন্ধ্যায় ফিরছি আমরা।  নিজেকে অন্য জগৎ এর মানুষ মনে হচ্ছে।  প্রকৃতি, পাহাড় দেখে মনে হচ্ছিল এখানেই থেকে যাই।মনের ভেতর  ক্ষুধা বাড়ছিল, প্রকৃতির সাথে মিশে যোতে মনে মনে নিজেকে পৃথিবীর পথে নামার কল্পনা করে বাড়ি ফিরলাম!

 

এর পর কলেজ ছেড়ে ইউনিভার্সিটি পরিবার ছেড়ে ঢাকা আর সেদিনের সে কল্পনা ধীর ধীরে বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করলো।

এরপর আরো বেশ কয়েকবার শেরপুর গিয়েছি,  একদিনে শেরপুর ঘুরাঘুরি সম্ভব নয়। শেরপুর অঞ্চল প্রাচীনকালে কামরূপা রাজ্যের অংশ ছিল। মুঘল সম্রাট আকবরের শাসনামলে এই এলাকা “দশকাহনিয়া বাজু” নামে পরিচিত ছিল। পূর্বে শেরপুরে যেতে ব্রহ্মপুত্র নদ খেয়া পাড়ি দিতে হত। খেয়া পারাপারের জন্য দশকাহন কড়ি নির্ধারিত ছিল বলে এ এলাকা দশকাহনিয়া নামে পরিচিতি লাভ করে। সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ভাওয়ালের গাজী, ঈসা খানের বংশধর থেকে দশকাহনিয়া এলাকা দখল করে নেয়। দশকাহনিয়া পরগনা পরবর্তীতে গাজী বংশের শেষ জমিদার শের আলী গাজীর নামানুসারে শেরপুর করা হয়।

গজনী অবকাশ কেন্দ্র

ঢাকা থেকে শেরপুর যেতে হলে মহাখালী থেকে বাস যায় কিংবা দেশের যেকোন জায়গা থেকে ময়মনসিংহ এসে ময়মনসিংহ থেকে শেরপুর বাস বা সি এনজিতে যেতে পারেন। শহরে সরকারী আবাসন ছাড়া রঘুনাথ বাজার ও মুন্সী বাজারে কিছু হোটেল পাবেন।

 

মধুটিলা থেকে কাছেই গজনী অবকাশ কেন্দ্র পাহাড়ের ঢালে, গায়ে অথবা পাহাড় চূড়ায় সারি সারি শাল, সেগুন, মহুয়া, গজারী, আকাশমনি, ইউকেলিপটাস, মিলজিয়ামসহ আরো নাম না জানা কত শত পাহাড়ি গাছ, বনফুল ও ছায়াঢাকা বিন্যাস যেন বিশাল ক্যানভাসে সুনিপুণ শিল্পীর রঙ-তুলির আঁচড়। শিল্পীর এ আঁচড় খুব সহজেই প্রকৃতি-প্রেমীদের হৃদয়ে দোলা দিয়ে যেতে পারে বলেই প্রতি বছর বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার প্রকৃতিপ্রেমী নারী-পুরুষ, শিশু, বয়োবৃদ্ধসহ সবাই ছুটে আসেন শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনী গারো পাহাড়ের মন ছুঁয়ে যাওয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকন করতে।

গজনী অবকাশ কেন্দ্র

ভারতের মেঘালয়ের কোল ঘেঁষে ও বাংলাদেশের উত্তর সীমান্তে অরণ্যরাজি আর গারো পাহাড়ের পাদদেশে পাহাড়ি নদী ভোগাই, চেল্লাখালি, মৃগী, সোমেশ্বরী, মালিঝি, মহারশীর ঐশ্বরিক প্রাচুর্যস্নাত অববাহিকায় সমৃদ্ধ জনপদ শেরপুর। এ জেলার বিশাল অংশজুড়ে গারো পাহাড়ের   বিস্তৃতি। লাল মাটির উঁচু পাহাড়। গহীন জঙ্গল, টিলা, মাঝে সমতল। দু’পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে ছন্দ তুলে পাহাড়ী ঝর্ণার এগিয়ে চলা। পাহাড়, বনানী, ঝরণা, হ্রদ এতসব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যেও কৃত্রিম সৌন্দর্যের অনেক সংযোজনই রয়েছে গজনী অবকাশ কেন্দ্রে।

 

 

গজনীর মতই আরেকটি পর্যটন স্পট রয়েছে শেরপুরের রাজার পাহাড়। দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে বাসে বা যে কোনো যানবাহনে আসা যায় শেরপুর শহরে। এখান থেকে মাত্র ৩৪ কিলোমিটার দূরে শ্রীবরদীর কর্ণঝোরা বাজার। শেরপুর শহর থেকে বাস, টেম্পুসহ যে কোনো যানবাহনে আসা যায় মনোমুগ্ধকর নয়ানিভিরাম স্থান রাজার পাহাড় ও  বাবেলাকোনায়।

রাজার পাহাড়

ছোট নদী ঢেউফা। এ নদীর শান্ত শীতল জলের স্রোতধারা এক টানা বয়ে চলেছে। সহজ সরল এ নদীর বুকে জেগে উঠা চরের বালু চকচক করছে। এর পাশেই বিশাল উঁচু টিলা রাজার পাহাড়। নদী আর সৌন্দর্যের অপরুপ লীলাভূমি রাজার পাহাড় যেন ঐশ্বরিক স্বপ্নপুরি। এর কূল ঘেঁষে নানা কারুকার্যে সাজানো উপজাতি এলাকা বাবেলাকোনা। এ গ্রাম যেন যোগ করেছে সৌন্দর্যের নতুন মাত্রা। ঢেউফা নদীর দু’পাশে সবুজ বৃক্ষ আচ্ছাদিত অসংখ্য উঁচু-নিচু পাহাড়। গভীর মমতা আর ভালবাসায় গড়া উপজাতিদের বর্ণিল জীবনধারা। অপূর্ব সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মিলিত আহ্বান।

 

প্রচীনকালে এক রাজার বাসস্থান ছিল এখানে। সে অনুসারে এ পাহাড়ের নাম হয় রাজার পাহাড়।রাজার পাহাড় ঘেঁষা জনপদ বাবেলাকোনা। এখানে অসংখ্য উঁচু-নিচু টিলায় ঘেরা এক অন্যবদ্য গ্রাম। প্রাচীনকাল থেকে এখানে গড়ে ওঠেছে জনবসতি। ঝোপ-জঙ্গলে আবৃত্ত গ্রামটি কালের আবর্তে পরিবর্তিত। প্রাকৃতিক শোভামণ্ডিত সবার কাছে পরিচিত রাজার পাহাড় থেকে বাবেলাকোনা। বাবেলাকোনায় গারো, হাজং, কোচ অধ্যুষিত উপজাতিদের সংস্কৃতি ভিন্ন মাত্রায় বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবনধারা। যেন প্রাকৃতিক বিরূপতা। এ যেন জঙ্গল আর জন্তু-জানোয়ারের নৈসর্গিক মিতালি। জনপদটির চলমান জীবন সংগ্রামের বিরল দৃশ্য।  সারাদিন রাখতে পারেন এই জায়গার জন্য।

 

হাতে সময় থাকলে ঘুরে আসতে পারেন শেরপুর জেলা শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে গারো পাহাড় সীমান্তবর্তী রামচন্দ্রকুড়া এলাকায় অবস্থিত পানিহাটা ও তারানি গ্রামের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। পর্যটকদের কাছে পানিহাটা-তারানি পাহাড় নামে পরিচিত। তারানি পাহাড়ের উত্তরে মেঘের মোড়ে ঢাকা ভারতের তুরা পাহাড় দেখা যায়। তুরা পাহাড়ের দূরের টিলাগুলো যেন মেঘের রাজ্যে মিতালি করে চারপাশে এক মায়াবী পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। তুরা অববাহিকা থেকে পশ্চিম দিকে বয়ে চলেছে পাহাড়ী ভোগাই নদী, যার স্বচ্ছ পানির নিচে রোদের আলোয় চকচক করা নুড়ি পাথর আর চারপাশে সবুজে মুড়ে থাকা পাহাড়ের দৃশ্য এক অদ্ভুত সৌন্দর্য তৈরি করেছে।

পানিহাটা-তারানি পাহাড়

তুরা নদীর পাশে খ্রিষ্টানদের উপসানালয়, একটি ছোট চিকিৎসা কেন্দ্র, বিদ্যালয় এবং শিক্ষার্থীদের আবাসিক হোস্টেল রয়েছে। প্রকৃতির সাথে মিলিত হয়ে মেঘ ও পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিবছর বহু পর্যটক এই অঞ্চলে আসেন।

 

এখানে যেতে হলে ঢাকা থেকে শেরপুর যাবার পথে নকলা থেকে নালিতাবাড়ি যেয়ে ব্যক্তিগত ভাবে ভাড়া যানবাহন  নিয়ে  যেতে হবে। শহর শেরপুরে ঘুরে আসতে পারেন শের আলী গাজীর দরগাহ ও পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ী।

পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ী

শেরপুর জেলা সদরে অবস্থিত জমিদার সতেন্দ্র মোহন চৌধুরী ও জ্ঞানেন্দ্র মোহন চৌধুরীর বাড়িটি পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি  হিসাবে সুপরিচিত। গ্রিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই বাড়িটি অন্যান্য জমিদার বাড়ি থেকে আলাদা। যদিও কালের বিবর্তনে জমিদার বাড়ির অনেক সৌন্দর্যই ম্লান হয়ে গিয়েছে। তবে জমিদার বাড়ির চমৎকার নকশাকৃত দৃষ্টিনন্দন স্তম্ভগুলো আজও জমিদারি আমলের ঐতিহ্য বহন  করে চলছে।

 

এছাড়া জমিদার বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব কোণের রংমহলের স্থাপত্যশৈলীতে লতা-পাতা ও ফুলেল নকশাকৃত জমিদারি গাম্ভীর্য্য ও নান্দনিকতা ধরা পড়ে। এই রংমহলে নাচ-গান ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। জমিদার বাড়ির সামনে শাণ বাধানো ঘাটসহ একটি পুকুর রয়েছে।

 

শেরপুর জেলা সদরের যে কোন জায়গা থেকে রিক্সা বা অটোতে যেতে পারেন এই জমিদার বাড়িতে। একদিনে পুরো শেরপুর ঘুরে দেখা সম্ভব নয়। প্রথমদিন মধুটিলা ইকো পার্ক ও গজনী ঘুরে দেখতে পারেন। একদম সকাল সকাল বের হয়ে যেতে হবে। আরেকদিন পানিহাটা ঘুরে শেরপুর শহরে এসে পৌণে তিন আনা জমিদার বাড়ি শের আলীর মাজার ঘুরে ফিরতে পারেন নির্দিষ্ট গন্তব্যে।

নিশি আপু বাসায়

 

আমি বারবার বলি আমার সাথে শুধু ভালো মানুষের  পরিচয় হয়। আমি,মুরাদ ভাই, আবীর শেরপুর এসেছি শুনে আমাদের নিশি আপু বাসায়  আয়োজন করেছে আমাদের জন্য।  উনার আশেপাশের মানুষদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন বাংলাদেশ ঘুরতে বের হয়েছি আমরা। এই উপলক্ষে দুপুরের বিরাট আয়োজন , বেশকদিন এদিক ওদিক ঘুরে বাইরে খাবার খেয়ে আমরাও ক্লান্ত। নিশি আপুর বাসায় এসে গোসল করে আপুর হাতের বাহারি স্বাদ্বের খাবার খেয়ে মন শরীর দুটোই বেশ ফুরফুরে।  আপুর জন্য মন থেকে শ্রদ্ধা বেরে গেলে, আগের যুগে মুসাফিররা এমন আপ্যায়ন পেয়ে হয়তো খোদার দরবারে হাত তুলে দোয়া করতেন!

আমরাও খোদার দরবারে দোয়া করে বের হয়ে গেলাম পরের নতুন কোন গন্তব্যে।

 

বিঃদ্রঃ ঘুরতে গিয়ে কোথাও ময়লা ফেলবেন না এবং স্থানীয়দের সাথে ভালো ব্যবহার করুন।

 

ডিসেম্বর  ২০১২

{{ reviewsTotal }}{{ options.labels.singularReviewCountLabel }}
{{ reviewsTotal }}{{ options.labels.pluralReviewCountLabel }}
{{ options.labels.newReviewButton }}
{{ userData.canReview.message }}

Hi, I'm Rafa

Welcome to my world of exploration! I’m a passionate travel blogger from Bangladesh, dedicated to showcasing the incredible beauty and rich culture of my homeland.

Find us on Facebook